ষ্টাফ রিপোর্টার: ফতুল্লায় পুলিশের হাতে একাধিকবার ধরা পড়ে মারধরের শিকার হওয়ার পরও থামেনি কুখ্যাত অপরাধী বরিশাইল্লা শহীদের বেপরোয়া কর্মকান্ড। উল্টো দিন দিন আরও ভয়ংকর হয়ে উঠছে তার সন্ত্রাসী তৎপরতা।
সর্বশেষ, এই চক্রের টার্গেটে পরিণত হয়েছেন প্রবীণ সাংবাদিক মোঃ নুরুল ইসলাম নুরু (৭২)।
দীর্ঘ ৩০ বছরের সাংবাদিকতা জীবনের অভিজ্ঞ এই ব্যক্তি, যিনি বর্তমানে ফতুল্লা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন তাকেই প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এ কুখ্যাত অপরাধী বরিশাইল্লা শহীদের বিরুদ্ধে।
এক ভুক্তভোগীর দায়ের করা লিখিত অভিযোগে উঠে এসেছে এক ভয়াবহ চিত্র। এমন শতাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
থানায় জিডি কিংবা অভিযোগ লিখতে আসা সাধারন মানুষগুলো শহিরে কাছে গিয়ে যেন উল্টো আরও বেশী বিপদগ্রস্থ হয়ে পড়েন। জিডি কিংবা অভিযোগ লেখার পর কোন এসআই কিংবা এএসআই তদন্ত করবেন সেটাও নির্ধারন করে থাকে তার কম্পিউটারের দোকান থেকে। থানা পুলিশকে ঘটনাস্থলে যাওয়া এবং কত টাকা েিত হবে সেটাও শহিদ নির্ধারন করে দেয়।
গত কয়েকমাস পুর্বে জেলা পরিষরে সামনে মৌমিতা পরিবহনের বাস চাপায় নিহতের ঘটনায় বাসের চালক পালিয়ে গেলেও জনতার হাতে আটক হয়েছিল হেলপার নাঈমকে। সেই ঘটনায় থানায় নিয়ে আসা হয় নাঈমকে। ঘটনার পর দিন নাঈমের মা এবং বোন গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে ফতুল্লা মডেল থানায় আসেন নাঈমকে দেখার জন্য। উক্ত ঘটনায় নাঈমকে ১০ েিনর রিমান্ডে নেয়া হবে তা কাটাতে হলে এসআইকে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে নাঈমের বোনের কাছে টাকা চান শহিদ। কিন্তু অর্থহীন নাঈমের বোন এবং মা ানা অভ্যন্তরে কান্না করলেও সেই কান্নার শব্দ কিংবা চোখের পানিও টলাতে পারেনি র্অলোভী শহিরে মন। সেদিন পুলিশের নামে শহিদের টাকা চাওয়া ঘটনার বিবরনটুকু থানায় উপস্থিত সাংবাদিকদেরকে জানান নাঈমের বোন। যা ভিডিও ফুটেজ অত্র প্রতিবেকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
এ রকম একাধিক অনৈতিক অভিযোগ রয়েছে শহিরে বিরুদ্ধে। তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন আসামী পক্ষের লোকজন থেকে টাকা নিয়েছেন পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে এমন অভিযোগের শেষ নেই। সে সময়ে যেসকল পুলিশ সদস্যদের নাম ভাঙ্গিয়ে আসামীপক্ষের লোকদের টাকা নিয়ে নিয়েছিলেন উক্ত পুলিশ সদস্যরা েেশর বিভিন্ন থানায় কর্মরত রয়েছেন। ফতুল্লা মডেল থানায় তৎকালীন ইন্সপেক্টর তদন্ত শাহজালাল থাকাকালীন সময়ে পুলিশের নাম করে টাকা নেয়ার অভিযোগের সত্যতা পেলে এ শহিদকে থানা অভ্যন্তরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাও দিয়েছিলেন।
এত অপরাধের পরও সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তরে বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো পক্ষেপ চোখে পড়ছে না। বরং তারা প্রকাশ্যেই নিজেদের ‘আইনের ঊর্ধ্বে’ দাবি করে আগের মতোই দাপট দেখিয়ে যাচ্ছে।
অতীতের অভিযোগও কম নয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অতীতে মিথ্যা মামলা সাজানো, ভয় িেখয়ে টাকা আদায়, জিডি-অভিযোগের নামে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এসব কর্মকান্ডের ‘অঘোষিত কেন্দ্র শহীদের কম্পিউটারের দোকান।
https://slotbet.online/