ডা. শফিকুর রহমানের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও উদারতায় তিনি জামাতকে দীর্ঘ ষাট বছরের রাস্তা থেকে অন্যমেরুতে নিয়ে এসেছেন। বিরোধ মেটানোর চেষ্টা করেছেন অনেক কৌশলী হয়ে।
শেষ সময়ে তিনি টেনেটুনে গন্তব্যের দিকে নিতে পারবেন তো! নাকি পুরনোদের ইরাশাতেই তিনিও…..
দেখা যাক কোথার ট্রেন কোথায় যায়!
আমরা সবাই জানি আমাদের নিজস্ব অনেক সক্ষমতা কিন্তু পারস্পরিক সমঝোতা না থাকলে যত বড় কুতুবই হোন না কেনো সংসদে কুড়ির সীমা কেউ পার করতে পারবেন না। আর ঐক্য থাকলে সাধারণ জনগণের স্রোত এতো তীব্র বেগে প্রবাহিত হবে যে হিসেব এখুনি মেলানো মুশকিল।
আশা করা যায় ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে যাচ্ছে এবার। জনগণের মাঝে প্রত্যশার পরিমাণ আকাশসম। কিন্তু এখনও সন্দেহের দোলাচালে ঘুরপাক খাচ্ছে আমজনতা৷ এইবার জাতিকে হতাশ করলে আর কী বলবার থাকবে জাতির সামনে।
সুতরাং একাই ২২০, ২০০, ১৯০ ইত্যাদি ইত্যাদি ঐক্য বিরোধী কথা বলে অন্তত জাতিকে হতাশ কইরেন না। সক্ষমতা অনুযায়ী সিংহভাগ প্রত্যাশা দোষের কিছু নয়। কিন্তু নিজেরাও ডুবে জাতিকে ডুবানোর কোনো অর্থ থাকেনা। জামায়াত সমর্থিত অসংখ্য গ্রহণযোগ্য আইডি থেকে বিষয়টি এমনভাবে প্রকাশিত হচ্ছে যা রীতিমতো উদ্বেগের। স্পষ্টতই জামায়াতের মুহতারাম আমীরের ঐক্য প্রচেষ্টার এই মেহনতকে নির্ঘাত বাধাগ্রস্থ করবে।
ফেসবুকে আজ এমনিই পোস্ট করেছেন ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা ও সোনারগাঁও চেঙ্গাকান্দি মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল এইচ এম কাওছার বাঙ্গালী।
https://slotbet.online/