• শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সাংবাদিক তানভীরের মায়ের মৃত্যুতে ফতুল্লা রিপোর্টার্স ইউনিটি শোক প্রকাশ ইঞ্জিঃ সাঈদ রেজার উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে দোয়া ও তোবারক বিতরণ ফতুল্লা থানা যুবদলের উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে দোয়া ও তোবারক বিতর ব্যবসার “মুনাফা” বনাম অভিযানের ‘ঘোষণা’ – মোঃ নাসিম আগস্টে ঘোষণা হতে পারে ইউপি নির্বাচনের তফসিল ইসলামী আন্দোলনে ফিরলেন নান্নু মুন্সী ব্রাহ্মণগাও মন্দিরে লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার ১৩৬তম তিরোধান উৎসব পালিত কুতুবপুর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালন মহাখালীর বিশেষায়িত হাসপাতালে হামের রোগী ভর্তি না নেয়ার অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থী ভিসা বাতিল হলে যা যা করবেন

আজ তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস

প্রতিবেদকের নামঃ / ৩৬৬ দেখেছে
সময়ঃ শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬

আজ ৭ মার্চ ২০২৬ বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের তৃণমূল রাজনীতির প্রবক্তা, উৎপাদন, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির রাজনীতিক জনাব তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস।
২০০৭ সালের বিভীষিকাময় সেই কালো রাতেই কোনো ওয়ারেন্ট, মামলা, জিডি এমনকি সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়াই বিতর্কিত সেনা সমর্থিত সরকারের জরুরি বিধিমালায় গ্রেফতার করা হয় সমকালীন বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই রাজনীতিককে।
বস্তুত ১/১১-এর জরুরি অবস্থাকালীন দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের মূল টার্গেট হন জনাব তারেক রহমান। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ২ বছর ও বর্তমান সরকারের ১৫ বছরে রাষ্ট্রীয় সর্বশক্তি দিয়ে টাস্কফোর্স, এনবিআর, দুদকসহ সকল সংস্থাই দেশে-বিদেশে তন্ন তন্ন করে অনুসন্ধান করেও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, চাঁদা দাবি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের কোনো অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। তাকে দন্ড দিতে জরুরি অবস্থাকালীন দ্রুত বিচার আইনে দফায় দফায় সংশোধনীও আনা হয়। বর্তমান ক্ষমতাসীন আমলে সরকারের উচ্চ পর্যােয়ের নির্দেশে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা ও সাজানো মামলায় ফরমায়েশি রায়ে দন্ড দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর আগে নিম্ন আদালতের এক বিচারককে তাঁকে সাজা না দেওয়ায় দেশান্তরিত হতে হয়েছে।
১/১১ সরকারের গ্রেফতারের পর পুলিশ রিমান্ড ও কেন্দ্রীয় কারাগারের অন্ধপ্রকোষ্ঠে নিষ্ঠুর নির্যাতনের কারণে আজও অত্যন্ত কষ্টে দিনাতিপাত করছেন এই রাজনীতিক। কেন্দ্রীয় কারাগারের অন্ধপ্রকোষ্ঠে নির্মম নির্যাতনের পর একটানা ৫৫৪ দিন বা ১৮ মাস কারাবাসের পর ১২টি মামলায় জামিন পেয়ে ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি পিজি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুক্তি পান। ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহিংসায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে নিষ্ঠুর নির্যাতনে জননেতা তারেক রহমানের মেরুদন্ড ভেঙে দেয়ার কারণে মুক্তির পর তিনি হাসপাতালের বিছানা থেকে উঠতে পারছিলেন না। এই অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় এ তরুণ নেতার জীবন এখনও বিপন্ন। এখনও তাঁকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।
১/১১ সরকারের ধারবাহিকতায় বর্তমান সরকারও রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সারাদেশে শতাধিক মামলা দায়ের করেছে।
গ্রেফতারের পর থেকে তারেক রহমানের প্রতি সরকারের আচরণ ও মামলাগুলো পর্যালোচনা করলেই দেখা যায় কত নিষ্ঠুরভাবেই বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় একজন নেতাকে মিথ্যা কালিমা লেপ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
https://slotbet.online/