নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার শাহীমহল্লা মোহাম্মদীয়া আলিম মাদ্রাসাকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এলাকাজুড়ে। দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠার পর অবশেষে নড়েচড়ে বসেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, নারায়ণগঞ্জ সদর থেকে জারি করা এক অফিসিয়াল পত্রে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে অভিযোগের বিষয়ে “কারণ দর্শানোর” নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় নানা অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলার কারণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করে বছরের পর বছর যেভাবে পরিচালনা করা হয়েছে, তা শুধু দুঃখজনকই নয়, বরং শিক্ষাব্যবস্থার জন্য হুমকিস্বরূপ। অভিযোগ রয়েছে— নিয়মনীতি উপেক্ষা, কমিটি গঠনে বিতর্ক, আর্থিক অস্বচ্ছতা এবং ক্ষমতার দাপটে প্রতিষ্ঠানকে অস্থিতিশীল করে তোলা হয়েছে।
নোটিশে অভিযুক্তদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন—
“এতদিন কোথায় ছিল তদারকি?”
“শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম চলতেই থাকবে, আর কর্তৃপক্ষ শুধু চিঠি দিয়েই দায় শেষ করবে?”
সচেতন নাগরিকরা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের বিরুদ্ধে এখনই কঠোর অবস্থান না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ভয়াবহ ক্ষতির মুখে।
https://slotbet.online/