• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ফতুল্লার লিংক রোডে শহিদুল ইসলাম টিটুর নেতৃত্বে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত ‎কুতুবপুরে অবৈধ গ্যাস সংযোগের হিড়িক দেখার যেন কেউ নেই দেশের গনতান্ত্রিক আন্দোলন ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় মহিলা দলের নেতাকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রয়েছে – এড. শাখাওয়াত হোসেন খান নজরুল বর্ষ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ সদরে সাহিত্য কর্ণার উদ্বোধন ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা পর্যায়ক্রমে উপজেলার প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাপন করা হবে পাঠাগার- ইউ.এন.ও এস এম ফয়েজ উদ্দিন অসুস্থ নাজির কামরুল ইসলাম এর সুস্থতার জন্য সকলের নিকট দোয়া প্রার্থনা সমাজসেবক মো : জামাল উদ্দিন এর উদ্যোগে দুইদিন ব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ সদরে গ্রাম আদালত ও জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত না: গঞ্জে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত কামালকে সভাপতি ও বাদলকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৯ বিশিষ্ট ফাতেমা নূর জামে মসজিদ রোড পঞ্চায়েত কমিটির অনুমোদন

‎কুতুবপুরে অবৈধ গ্যাস সংযোগের হিড়িক দেখার যেন কেউ নেই

প্রতিবেদকের নামঃ / ৩৫ দেখেছে
সময়ঃ শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‎সারাদেশে তীব্র গ্যাস সংকটে যখন জনজীবন বিপর্যস্ত  তখনো নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন কুতুবপুরের বিভিন্ন অলিগলিতে দিনে অথবা রাতে অবাধে চলছে অবৈধ গ্যাস সংযোগের কারবার।
‎সারাদেশে তীব্র গ্যাস সংকটে যখন জনজীবন বিপর্যস্ত এবং শিল্প কারখানার চাকা বন্ধ হওয়ার উপক্রম, তখনো অবাধে চলছে অবৈধ গ্যাস সংযোগের কারবার। প্রাপ্ত তথ্যমতে, দেশের আবাসন ও বাণিজ্যিক খাতের মোট গ্যাস সংযোগের প্রায় ৬০ শতাংশই অবৈধ। একদিকে অবৈধ প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত এসব গ্যাসের বিপুল পরিমাণ বিল সরাসরি চলে যাচ্ছে অসাধু চক্র ও চোরদের পকেটে, অন্যদিকে সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব।
​সংশ্লিষ্টদের মতে, এই অবৈধ সংযোগগুলোর বিরুদ্ধে যদি কঠোর ও নিরবচ্ছিন্ন শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করে সব অবৈধ লাইন বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হয়, তবেই চলমান গ্যাস সংকট অনেকাংশে লাঘব হবে।
‎​বর্তমানে গ্যাসের অপ্রতুলতার কারণে দেশের বহু গুরুত্বপূর্ণ পোশাক কারখানা, সার কারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র উৎপাদন কমাতে বাধ্য হচ্ছে। অনেক ছোট ও মাঝারি শিল্প কারখানা ইতোমধ্যে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে, যার ফলে বেকারত্বের ঝুঁকি বাড়ছে এবং জাতীয় অর্থনীতি মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে।
‎​অথচ এই সংকটকালীন মুহূর্তেও গ্যাস নেটওয়ার্কের একটি বড় অংশ অবৈধ গ্রাহকদের দখলে। স্থানীয় প্রভাবশালী, অসাধু ঠিকাদার এবং গ্যাস বিতরণ কোম্পানির কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার যোগসাজশে গড়ে উঠেছে এই অবৈধ সিন্ডিকেট। গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট হারে টাকা তোলা হলেও তা সরকারি কোষাগারে জমা না হয়ে চলে যাচ্ছে এই সিন্ডিকেটের পকেটে।
‎​বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল এলএনজি আমদানি করে কিংবা নতুন কূপ খনন করে গ্যাস সংকট সামাল দেওয়া সম্ভব নয়, যদি না বিতরণ ব্যবস্থার এই ‘সিস্টেম লস’ ও চুরি বন্ধ করা না যায়। জরুরি ভিত্তিতে ড্রোন প্রযুক্তি, জিপিএস ট্র্যাকিং ও যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে দেশব্যাপী কঠোর শুদ্ধি অভিযান চালানো এখন সময়ের দাবি। অবৈধ সংযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করতে পারলে যে পরিমাণ গ্যাস সাশ্রয় হবে, তা দিয়ে বৈধ গ্রাহক ও শিল্প খাতের সিংহভাগ চাহিদা মেটানো সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
https://slotbet.online/