প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ৬:৪৩ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১২:০৫ পি.এম
রনির বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শহিদুল ইসলাম টিটু

ফতুল্লা প্রতিনিধিঃ বিগত সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথের লড়াকু সৈনিক ও জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতা মশিউর রহমান রনির বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু।
এক বিবৃতিতে টিটু ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করার দাবি জানান।
মামলার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন শহিদুল ইসলাম টিটু বলেন, "বিগত সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যারা অগ্রভাগে ছিলেন, মশিউর রহমান রনি তাদের অন্যতম। ঝুট ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষের যে ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গেছে, সেখানে কোথাও রনিকে দেখা যায়নি। একজন জেলা পর্যায়ের নেতার বিরুদ্ধে যাচাই-বাছাই ছাড়া কেন মামলা করা হলো, তা আমার বোধগম্য নয়।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পরপরই তিনি জেলা পুলিশ সুপার এবং সার্কেল এসপি তারেক মেহেদীর সাথে কথা বলে বিষয়টি জানিয়েছেন। প্রশাসনের উচিত ছিল কোনো নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে ঘটনার সত্যতা নিবিড়ভাবে যাচাই করা।
আহতদের নিরাপত্তা ও অপরাধীদের বিচার
ঝুট ব্যবসার দখল নিয়ে সংঘর্ষে ১০ বছরের মাদ্রাসা ছাত্র ইমরানসহ দুজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে টিটু বলেন:
"যদি শিশু ইমরানের কোনো ক্ষতি হয়, তবে এর দায়ভার কে নেবে? আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমরা কোনো সন্ত্রাসীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেব না। প্রকৃত অপরাধীদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে।
তারেক রহমানের নির্দেশ ও জিরো টলারেন্স নীতি
টিটু উল্লেখ করেন যে, দক্ষিণ এশিয়ার জনপ্রিয় নেতা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে—অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় থাকবে না। সন্ত্রাসী যেই হোক না কেন, তাকে কেবল অপরাধী হিসেবেই গণ্য করা হবে। মাদক ব্যবসায়ী, ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বিএনপি বর্তমানে 'জিরো টলারেন্স' নীতি অবলম্বন করছে।
ত্যাগী কর্মীদের অবমূল্যায়নের শঙ্কা মামলায় অভিযুক্তদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "যাদের আসামি করা হয়েছে, তাদের অনেকেই বিগত সরকারের আমলে রাজপথে সক্রিয় থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। আমি নিজেও ডিবির হারুনের হাতে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছি, আমার একটি চোখ নষ্ট হয়ে গেছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, অনেক ত্যাগ ও সংগ্রামের পর অর্জিত এই গণতান্ত্রিক পরিবেশে কোনো নিরপরাধ কর্মী যেন হয়রানির শিকার না হয় এবং প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করা হয়। শহিদুল ইসলাম টিটু আরো বলেন যারা মামলাটি করেছে তাদেরও রাইট আছে মামলা করার তারা যেহেতু ক্ষতিগ্রস্ত , তাই আমি আবারো প্রশাসনের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি, ১০০% সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে সঠিক তথ্যটি উৎখাতিত করা হউক।।
stnews24bd